১৬/০৬/২০২৬; সাভার, ঢাকা
আগামীতে গবেষণা খাতে আরও বেশি বরাদ্দ প্রদান করা হবে। গবেষণা ছাড়া দেশ এগিয়ে যেতে পারবে না।গবেষণা বিষয়ে সরকার কোন কৃপণতা করবে না। তবে প্রকৃত অর্থে গবেষণা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা উদ্বোধনকালে আজ সকালে সাভারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্র্রী জনাব মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ মহোদয় একথা বলেন।
মহিষ পালনকে জনপ্রিয় করার জন্য তিনি গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, উন্নত দেশসমূহে মহিষ দুধের অনেক বড় একটি উৎস্য। আমাদের দেশের চরাঞ্চলে তুলনামূলক কম কৃষি কাজ হয়। এখানে যদি আমরা লবণাক্ত মাটির জন্য উপযোগী লবণ সহিষ্ণু জাতের ঘাস চাষ করতে পারি, তবে মহিষ পালনের একটি উপযুক্ত ক্ষেত্র হতে পারে। তবে ভবিষ্যতে কৃষি কাজের জন্য জায়গার স্বল্পতা দেখা যাবে। তাই কম জায়গায় কিভাবে মহিষ পালন করা যায় সে বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তবর্তী পশুর হাট বন্ধের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতে সীমান্তঘেঁষা কিছু হাটের মাধ্যমে বিদেশি পশু প্রবেশ করে দেশীয় খামারিরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এ পরিস্থিতি বন্ধে বর্ডার এলাকায় হাট না বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।