২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫: ‘প্রোটিন দিবস’। প্রোটিন বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টি এবং সবার জন্য প্রোটিনের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও দিবসটি ‘প্রোটিন দিবস’ উদযাপিত হচ্ছে।
‘বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল’ (বিপিআইসিসি) এবং ইউ.এস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল (ইউএসএসইসি) যৌথভাবে দিবসটি উদযাপন করবে। এবারের প্রতিপাদ্য “ফুয়েলিং সাউথ এশিয়া: দ্য রাইট প্রোটিন, দ্য রাইট ওয়ে”।
বাকৃবি: গবাদি প্রাণির খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন নতুন একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। রচিত গ্রন্থটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সবুজ ঘাস ও গো-খাদ্য ব্যবস্থাপনা’। বইটিতে গবাদি প্রাণির জন্য সবুজ ঘাসের গুরুত্ব, সঠিক চাষাবাদ পদ্ধতি, সংরক্ষণ এবং পুষ্টিগুণ বজায় রাখার বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
ডিম প্রোটিনের একটি বিকল্প পন্য/উৎস : ডিমের দাম বাড়লে ভোক্তা ডিম বাদ দিয়ে বিকল্প খুঁজে, হয় মাছের দিকে যায়, না হয় সব্জির দিকে অথবা সাময়িক ডিম কেনা বন্ধ রাখে বা কম কেনে।
চাল আটা, ডাল, মরিচ, তেল, লবন, চিনি এগুলো নিত্যপন্য, এগুলো এ বেলা না হলে ওবেলা লাগেই।
ডিম কেন রাজনৈতিক পন্য হল?
অজ্ঞতা আমি বলব প্রথমেই দায়ি, দ্বিতীয়ত গুজব।
ডিম নিয়ে উম্মাদনা কেন সৃষ্টি হয়?
আসলে বর্তমানে স্যোলাল মিডিয়া নির্ভর আমাদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড,
রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ: প্রতি বছর ৩ নভেম্বর, ২০২৪ - বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে "ওয়ান হেলথ দিবস," আর এই বছরের মূল বার্তা "আমার স্বাস্থ্য, আমার অধিকার"। এই আহবান ব্যক্তিগত অধিকার ও বৈশ্বিক দায়িত্বের মিলিত আওয়াজ, যা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতির স্বাস্থ্য একসূত্রে গাঁথা। মানুষের সুস্বাস্থ্য শুধু নিজস্ব অধিকার নয়, বরং এটি আমাদের সামষ্টিক দায়িত্বের অংশও। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়ার অভিপ্রায়ে বাংলাদেশ সহ বিশ্বজুড়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বিশ্ব ডিম দিবস (World Egg Day) প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবারে উদযাপিত হয়, যা ২০২৪ সালে ১১ অক্টোবর পালিত হবে। এই দিবসটি ডিমের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা, এবং মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ডিমের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে পালিত হয়।
বিশ্ব ডিম দিবসের উদ্দেশ্য:
বিশ্ব ডিম দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হল মানুষের খাদ্যাভ্যাসে ডিমের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। এই দিবসটি ডিম উৎপাদকদের জন্যও একটি বিশেষ দিন, যেখানে তারা ডিমের উৎপাদন এবং বিতরণে নিজেদের অবদান প্রদর্শন করতে পারেন। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে ডিম দিবসে আলোচনা সভা, প্রচারণা, এবং স্কুল-কলেজে শিক্ষামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।