দুধ কেবল শিশু খাদ্য নয়, এটি সব বয়সের মানুষের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিসম্পন্ন একটি খাদ্য। দুধ হচ্ছে সুপার ফুড বা সর্বগুণ সম্পন্ন খাবার। খাদ্যের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান- শর্করা, আমিষ বা প্রোটিন, স্নেহপদার্থ বা ফ্যাট, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ লবণ ও পানি আল্লাহ তাআলা দুধের মধ্যে দিয়ে দিয়েছেন। সারা পৃথিবীতে সুষম খাবার হিসেবে দুধ ও দুধের তৈরি খাবার যেখানে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে, সেখানে আমাদের দেশে কোমল পানীয় বা এনার্জি ড্রিংকসকে প্রমোট করা হয়। রোগ-প্রতিরোধ সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে হলে আমাদের এসব কোমল পানীয় পরিহার করে দুধ পানের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কেননা দেহের বিকাশ, পুষ্টির অভাব পূরণ ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য দুধের পুষ্টি উপাদানের কোনো বিকল্প নেই।


যিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-আযহা পালিত হয়ে থাকে। ঈদুল আযহার অন্যতম একটি আনুষ্ঠানিকতা হলো পছন্দের পশুকে কোরবানি করা। মুসলিমদের এই উৎসবে সামর্থ্যবানরা পছন্দমতো পশু কোরবানি দিয়ে আল্লাহর কাছে তার তাকওয়া প্রদর্শন করে। সামর্থ্যবানদের কোরবানি গরুর মাংসের একটি অংশ থাকে গরিবদের জন্য। আর এই কোরবানির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সুস্থ ও সবল পশু নির্বাচন করা। সবাই ভালো গরুটিই পছন্দ করতে চায়, এজন্যে সবার নজর থাকে গরুর স্বাস্থ্যের প্রতি। এই উৎসবকে পুঁজি করে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করে দ্রুত গরু মোটাতাজাকরণের দিকে ঝুঁকছে। তাই কোরবানির হাটে যাওয়ার আগে অবশ্যই সুস্থ সবল পশু চিহ্নিত করার উপায়সমূহ জেনে নেওয়া উচিত।

সাধারণত যখন চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকে তখন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। তাহলে কি বাংলাদেশে চাহিদা তুলনায় গরুর মাংসের উৎপাদন হচ্ছে না? গত ১৫ অক্টোবর, ২০২৩ এ প্রকাশিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য মতে, দেশে ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাংসের উৎপাদন হয়েছে ৮৭.১০ লাখ মেট্রিক টন। মাথাপিছু প্রতিদিন ১২০ গ্রাম মাংসের চাহিদার বিপরীতে প্রাপ্যতা ১৩৭.৩৮ গ্রাম। যদিও সেটা আবার ২০২১-২২ অর্থবছরের থেকে কম। সে বছর মাংসের উৎপাদন ছিল ৯২.৬৫ লাখ মেট্রিক টন ও দিনে মাথাপিছু মাংসের প্রাপ্যতা ছিল ১৪৭.৮৪ গ্রাম। ২১-২২ বছরের চেয়ে ২২-২৩ এ উৎপাদন কিছুটা কম হলেও প্রাপ্যতার হিসেবে বরং

দ্রুতগতিতে চলমান এই পৃথিবীতে সকলের শারিরীক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। করোনা পরবর্তী সময়ে সকলের মধ্যে সুস্থ জীবনধারা নিয়ে কিছুটা সচেতনতা তৈরী হয়েছে। এই সচেতনতা যেমন আরও বেশি বাড়াতে হবে তেমনি সুস্থ জীবনধারা জন্য প্রয়োজনীয় নানা পণ্য ও সেবাও নিশ্চিত করতে হবে। এই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে তিন তরুণ উদ্যোক্তা; প্লাটফর্মটির নাম ‘হেলদি লিভিং বিডি’। ওয়েবসাইট healthylivingbd.com-তে যেমন নানা সুস্থ জীবনধারার জন্য প্রয়োজনীয় অর্গানিক খাবার, প্রাকৃতিক পণ্য, নারী স্বাস্থ্য, বাচ্চার স্বাস্থ্য, ব্যায়াম, আয়ুর্বেদিক ইত্যাদি নানা পণ্য পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি মানসিক স্বাস্থ্য সেবাসহ ইয়োগা, মেডিটেশন, ডেন্টাল হেলথ, ফিটেনেস সেবা পাওয়া যাচ্ছে।

মোঃ হুমায়ুন কবির সুমন, ম্যানেজার, প্রোটিম্যাক্স ইন্টারন্যাশনাল, IPPE USA তে অংশগ্রহণ করেন।