আর আর পি (RRP) এগ্রো ফার্মস লিঃ এর পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বন্যার্তদের মাঝে কিছু হাদিয়া বিতরণ করছেন।


( ২৪ আগষ্ট, ২০২৪ ইং) নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কৃষি বিদ দের অহংকার বরেণ্য কৃষিবিদ জনাব শামীমুর রহমান শামীম ভাই, শুভেচ্ছা জানিয়েছেন AAB ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ ডা: মো: শাহাদাৎ হোসেন পারভেজ এবং বাংলাদেশ ফিশারিজ এক্সিকিউটিভ এসোসিয়েশন সাবেক সভাপতি মৎস্যবিদ মাহাবুব আলম খান শাহীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৎস্যবিদ মিজানুর রহমান এবং সাবেক কোষাধ্যক্ষ মৎস্যবিদ শাহিনুর আলম।

এলিয়া গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এলিয়া ফিডস্ লিঃ - এর সেলস্ এবং মার্কেটিং বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিম্নোক্ত পদে মেধাবী, সৎ, যোগ্য ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের নিকট হতে দরখাস্ত আহবান করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাস্তবায়নের জন্য গবেষণা কর্মসূচি প্রণয়নে অংশীজনদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের লক্ষ্যে “বার্ষিক গবেষণা পরিকল্পনা কর্মশালা-২০২৪” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান  ০৯/০৬/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ রোজ রবিবার সকালে বিএলআরআই এর মূল কেন্দ্র সাভারে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে দিনব্যাপী এই কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ আব্দুর রহমান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর। আর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

গত ৮ জুন ২০২৪  খাগড়াছড়িতে প্রথম বারের মতো নারী পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স এসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা (ওয়াপসা-বিবি) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, পিপিএম (বার) এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ও ওয়াপসা- বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী সদস্য ড. মো. ইলিয়াস হোসেন উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিপিআইসিসি সেক্রেটারি দেবাশিস নাগ।

৩০ মে ২০২৪, ঢাকা: বুদ্ধিমান ও স্বাস্থ্যবান জাতি গড়তে হলে প্রোটিনের প্রাপ্যতা বাড়াতেই হবে। উন্নত দেশের মানুষ যেখানে বছরে গড়ে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০টি ডিম খায় সেখানে সরকারি হিসাবে আমাদের দেশে এ সংখ্যা ১৩৬টি। শুধুমাত্র হাঁস ও মুরগির ডিমের হিসাব করলে প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক কম। মুরগির মাংসের প্রাপ্যতা উন্নত দেশের তিন ভাগের এক ভাগ। দুধের মাথাপিছু দৈনিক প্রাপ্যতা ২৫০ মি.লি. এর বিপরীতে মাত্র ২২২ মি.লি.। তাই ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণ করতে হলে ডিম, দুধ, মাংসের মাথাপিছু প্রাপ্যতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত “ডক্টরস’ ডায়ালগ অন রাইট টু প্রোটিন” শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সাইন্সেস (বিএউএইচএস), বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এবং ইউ.এস. সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল (ইউএসএসইসি) যৌথভাবে সেমিনারটি আয়োজন করে।